ডেস্ক নিউজ
২০০৮ সালের এই দিনে তৎকালীন ১/১১-এর সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ১৮ মাসের বন্দিদশা ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন তিনি। বিএনপির নেতাকর্মীদের কাছে একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন।
২০০৭ সালের সেনা সমর্থিত ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সময় ৭ মার্চ ভোররাতে বাসা থেকে তুলে নেওয়া হয় বিএনপির তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমানকে।
দীর্ঘ ১৮ মাস (৫৫৪ দিন) কারাবাসের পর ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তিনি তৎকালীন পিজি হাসপাতাল (বর্তমানে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে কারামুক্ত হন।
সেসময় তাকে টানা ৫৫৪ দিন কারাবন্দি থাকতে হয়। কারাগারে রিমান্ডের নামে চলে অমানবিক নির্যাতন। নিষ্ঠুর নির্যাতনে তার মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া হয়। মুমূর্ষু অবস্থায় তারেক রহমানকে রাজধানীর তৎকালীন পিজি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সব মামলায় জামিন পেলে ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মুক্তি পান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তারপরই শুরু দীর্ঘ নির্বাসিত জীবন।
উচ্চ আদালতের নির্দেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়া হয় বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে। সঙ্গে যান তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও একমাত্র কন্যা জাইমা রহমান।
বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা দিনটিকে তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার