উপজেলা প্রতিনিধি, কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ)
জাতীয় মৎস্য দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী সফরকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠানস্থলের সার্বিক প্রস্তুতি পরিদর্শন করেছেন সরকারের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা।
শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে কটিয়াদীর আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউশন স্কুল মাঠে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে মঞ্চ, অনুষ্ঠানস্থলের প্রস্তুতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সার্বিক আয়োজন ঘুরে দেখেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন, কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক খাদেল সাইফুল্লাহ সোহেল, কটিয়াদী উপজেলা বিএনপির সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন খান দিলীপ, সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চনসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সংশ্লিষ্টরা।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল (১৬ আগস্ট) কটিয়াদীর আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউশন স্কুল মাঠে জাতীয় মৎস্য দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। তার আগমনকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠানস্থল ও আশপাশের এলাকায় নেওয়া হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি অনুষ্ঠান সফল করতে সংশ্লিষ্টরা শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সম্পন্ন করছেন।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার