আমি মোঃ আলাউদ্দিন,অফিস সহায়ক, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস, চৌদ্দগ্রাম, কুমিল্লা। বিগত কয়েক দিন ধরে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ অন্যান্য মাধ্যমে, আমার বিরুদ্ধে একজন দুষ্ট লোক তার সংগী সাথীদের সাথে নিয়ে কিছু অসত্য তথ্যের প্রচারনা চালাইতেছে। যা একেবারেই অসত্য।
প্রকৃত তথ্য হচ্ছে একজন বখে যাওয়া ব্যাক্তি, তার হীন সার্থ চরিতার্থ করার জন্য আমার নিকট বেশ কয়েক দিন ধরেই চাপ প্রয়োগ করতেছিলো, আমাকে সামাজিক যোগাযোগ ও অন্যান্য মাধ্যমের সহায়তায় আমার সম্মানহানি করবে বলে, হুমকি দিয়ে আসতেছিলো।
আমি তার চাহিদা না মেটানোতে সে আমার বিরুদ্ধে একটি অসত্য সংবাদের প্রচারনা চালাচ্ছে।
আমি এই প্রচারিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার