প্রিন্ট এর তারিখঃ নভেম্বর ৬, ২০২৬, ৪:৩৫ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ অগাস্ট ২৮, ২০২৬, ১:০৬ পি.এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের ধাওয়া খেয়ে গাঁ’জা’বাহী মাইক্রোবাস পুকুরে, উদ্ধার ৯ বস্তা গাঁ’জা
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় পুলিশের ধাওয়া খেয়ে গাঁজাবাহী একটি মাইক্রোবাস পুকুরে পড়ে গেছে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। পরে মাইক্রোবাসটি থেকে ৯ বস্তা গাঁজা উদ্ধার করে পুলিশ।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকালে উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের খিদিরপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ মাইক্রোবাস ও উদ্ধার করা গাঁজা থানায় নিয়ে যায়।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার সকালে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় গাঁজা পাচারের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার সৈয়দাবাদ-নয়নপুর সড়কে অভিযান চালায় কসবা থানা পুলিশ। এ সময় একটি কালো রঙের মাইক্রোবাস পুলিশের অভিযানের এলাকায় প্রবেশ করলে পুলিশের সন্দেহ হয়। পরে গাড়িটি থামার সংকেত দিলে চালক দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পুলিশও গাড়িটিকে ধাওয়া করে।
ধাওয়া খেয়ে মাইক্রোবাসটি কসবা-সৈয়দাবাদ সড়কের সঙ্গে সংযুক্ত আন্দিরপাড়-মনকাশাইর সড়ক দিয়ে পালাতে থাকে। একপর্যায়ে খিদিরপুর গ্রাম পার হওয়ার সময় মাইক্রোবাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি পুকুরে পড়ে যায়। এতে গাড়িতে থাকা গাঁজার প্যাকেটগুলো পানিতে ভেসে ওঠে। এ সময় মাইক্রোবাসে থাকা পাচারকারী ও চালক সাঁতরে পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি। পরে পুলিশ মাইক্রোবাসটি জব্দ করে এবং ৯ বস্তা গাঁজা উদ্ধার করে।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ জানান, গাঁজা পাচারের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশ মাইক্রোবাস ও ৯ বস্তা গাঁজা জব্দ করে। ৯টি বস্তায় মোট কত পরিমাণ গাঁজা রয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার