ডেস্ক নিউজ
যশোর সদর হাসপাতাল জামে মসজিদে নামাজ আদায়ের পর পাঁচদিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন মনিরুল ইসলাম (৪৫)। তার সন্ধান চান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া মেয়ে সুমাইয়া ইসলাম ও প্রবাসী ছেলে আব্দুর রহমান।
নিখোঁজ মনিরুল ইসলামের ডাকনাম মনু মিয়া। তার বাড়ি যশোরের চৌগাছা উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের কাঁদবিলা গ্রামে। তার বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ডাক্তার দেখানোর জন্য যশোর শহরে এসে সদর হাসপাতাল জামে মসজিদে নামাজ আদায় করেন মনিরুল ইসলাম। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
মনিরুল ইসলামের মেয়ে সুমাইয়া ইসলাম ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০২৪–২০২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, আমার বাবার ডিমেনশিয়া আলঝাইমার রোগ (ভুলে যাওয়া বা স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া) রোগ এবং হেপাটাইটিস বি ভাইরাসে আক্রান্ত।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কেউ মনিরুল ইসলামকে দেখে থাকলে, তাকে কোথাও যেতে দেখলে অথবা তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য পেলে দ্রুত ০১৯৭১৫০২২৪৫ নম্বরে যোগাযোগ করতে।
এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মনিরুল ইসলামের ছবি ও নিখোঁজের তথ্য শেয়ার করে তার সন্ধানে সহযোগিতা করার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে পরিবার।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার