নিজস্ব সংবাদদাতা:
১। বিশেষ আইন ও স্বচ্ছতার অভাব: বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ২০২৪ সালের ৩০ মার্চ সামিট গ্রুপের সঙ্গে দেশের তৃতীয় এই ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের চুক্তি সই করেছিল। এই প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব অভিযোগে সরকারি পর্যালোচনা কমিটির সুপারিশে পেট্রোবাংলা (Petrobangla) চুক্তিটি বাতিল করে।
২। ইউনূস সরকার আগের মেয়াদে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির বিশেষ আইনে অনুমোদিত প্রায় ৩১ থেকে ৩৭টি নবায়নযোগ্য ও সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের লেটার অব ইনটেন্ট (LOI) বাতিল করেছিল। বর্তমান সরকার বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে এবং বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় এসব প্রকল্প পুনর্মূল্যায়ন করছে। ৩৭টি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিল করার কারণে দেশ প্রায় ৩,০০০ থেকে ৫,৬৮১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
৩। ইউনিসেফের ৫ বার সতর্কীকরণ চিঠি শর্তেও হামের টিকা ক্রয় না করে বাংলাদেশে ২০২৬ সালের ১৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া বর্তমান হামের প্রাদুর্ভাবে এ পর্যন্ত মোট ৯৬৭ জন শিশু ও আক্রান্ত ব্যক্তি মারা গেছেন।
দেখুন এগুলো একটা পরিকল্পনার আওতায় ডক্টর ইউনূস করেছে, পরবর্তী সরকার যেন অস্বস্তিতে পড়ে। এমনকি সরকার পতনও ঘটতে পারে। তখন আবার এই বিদেশী এজেন্টরা কর ফাঁকি দিতে পারবে, দেশের টাকা চুরি করে নিজের নামে ব্যাবসা বানিজ্য গড়তে পারবে।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার