দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে পুলিশের অভিযানে ১২০ কেজি গাঁজা ও একটি পুরাতন এক্স নোহা গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দাউদকান্দি পৌরসভার দক্ষিণ সতানন্দি এলাকায় মেঘনা-গোমতী টোল প্লাজার কাছে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহনে তল্লাশি চালানোর সময় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ জানায়, দাউদকান্দি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলামের নেতৃত্বে এসআই মাসুদ আলম পাটোয়ারী সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চেকপোস্ট স্থাপন করেন। এ সময় চট্টগ্রাম মেট্রো-চ-৫১-১২২৪ নম্বরের একটি পুরাতন এক্স নোহা গাড়ি চেকপোস্টের কাছে এলে সেটিকে থামিয়ে তল্লাশি করা হয়। তল্লাশিকালে গাড়ির ভেতর থেকে ১২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় গাড়িতে থাকা নীলফামারীর জলঢাকা থানার তিলাই এলাকার তরিকুল ইসলাম রাজন (৩১) এবং সিলেট মহানগরের কোতোয়ালি থানাধীন গাশিটোলা এলাকার ফরহাদ হোসেন ওরফে রাহাতকে (৩০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার তরিকুল ইসলাম রাজনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় সাতটি মাদক মামলা রয়েছে।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার