সাব্বির হোসাইন
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা
নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা: কুমিল্লার দাউদকান্দিতে পৃথক অভিযান চালিয়ে ১২০ কেজি গাঁজা ও ১ লাখ ৪২ হাজার ৮০০ পিস ভারতীয় ‘CORAZU’ ট্যাবলেটসহ ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের এক সদস্য ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত ৬ জনকেও আটক করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এ অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশ জানায়, দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলামের নেতৃত্বে থানা পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালায়।
নীলফামারীর তরিকুল ইসলাম রাজন (৩১), সিলেটের ফরহাদ আহম্মদ ওরফে ফরহাদ মিয়া (৩০), ১ লাখ ৪২ হাজার ৮০০ পিস ভারতীয় ‘CORAZU’ ট্যাবলেটসহ গ্রেপ্তার সঞ্জিত দেব (৪৫), বাবুল দেবনাথ (৪৭) ও বরিশালের সুমন (৩৮)
এছাড়া নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সদস্য হিসেবে দাউদকান্দির মো. ইব্রাহিম (২২) নিয়মিত মাদক মামলার আসামি বুড়িচংয়ের সুমন মিয়া (৪৫) এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আরও ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম বলেন, “গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে পৃথক মামলা রয়েছে। তাদের বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “মাদক ও নাশকতাবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার