ডেস্ক নিউজ
সৌদি আরবের রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় ঢাকা থেকে ১০টি ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ৩ হাজার ৪৩১ যাত্রী। ক্ষতিগ্রস্ত ফ্লাইটগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুটি ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের দুটি ফ্লাইট রয়েছে।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) কাউছার মাহমুদ এসব তথ্য জানিয়েছেন।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানায়, রিয়াদ বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় এখন পর্যন্ত মোট ১০টি ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে। এর মধ্যে সৌদি আরবের সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের তিনটি এবং রিয়াদ এয়ারের তিনটি ফ্লাইটও রয়েছে। এসব ফ্লাইট স্থগিতের কারণে ৩ হাজার ৪৩১ যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন।
রিয়াদ বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সগুলোর ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। এতে যাত্রীদের ভ্রমণ পরিকল্পনায় পরিবর্তন আসতে পারে।পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ফ্লাইটের যাত্রীদের নিজ নিজ এয়ারলাইন্সের কাছ থেকে সর্বশেষ সময়সূচি ও ফ্লাইটের অবস্থা জেনে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার