ডেস্ক নিউজ
ঢাকার হোটেল আমারি, কিংফিশার বার ও ব্লিজ আর্ট বারে অভিযান চালিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। বুধবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকা মেট্রো (উত্তর) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. রাজিউর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
রাজিউর রহমান বলেন, মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) গভীর রাতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঢাকা মেট্রো (উত্তর) রাজধানীর পাঁচ তারকা মানের হোটেল আমারি এবং কিংফিশার ও ব্লিজ আর্ট বারে অভিযান চালায়।গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এসব অভিযানে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বার পরিচালনার ক্ষেত্রে লাইসেন্সের শর্ত প্রতিপালন ও আইনগত বৈধতা যাচাই করা হয়।
তিনি বলেন, এসময় হোটেল আমারিতে অভিযানে পারমিটবিহীন অবস্থায় মদ্যপানরত সাতজনকে পাওয়া যায়। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এছাড়াও কিংফিশার বারে অভিযানে বৈধ কাগজপত্রবিহীন ১৪ লিটার কেরু বিলাতি মদ পাওয়া যায়। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ব্লিজ আর্ট বারে অভিযানকালে বারটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম ও সম্ভাব্য অনিয়ম অধিকতর যাচাইয়ের লক্ষ্যে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে।
এছাড়া সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার