ডেস্ক নিউজ
রাজধানীতে মাদক, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও কিশোর গ্যাং দৌরাত্ম্য প্রতিরোধে মোহাম্মদপুর, পল্লবী, আদাবর ও গেন্ডারিয়ায় একযোগে ব্লক রেইড অভিযান পরিচালনা করেছে যৌথ বাহিনী।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাত ৯টা থেকে চার ঘণ্টার এই অভিযানে গ্রেফতার করা হয়েছে ৪৪১ জন অপরাধীকে।
এ সময় একটি বিদেশি পিস্তল, একটি সিঙ্গেল শুটার গান, বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র ও গুলিসহ বিপুল মাদক উদ্ধার করা হয়।মোহাম্মদপুর, পল্লবী, আদাবর ও গেন্ডারিয়া- এই চার থানায় রাত ৯টার পর শুরু হয় বিশেষ ব্লক রেইড। পুলিশ, ডিবি, সোয়াত, এসআরবি, এপিবিএন ও ডগ স্কোয়াডসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকশ সদস্য এতে অংশ নেন।
পুলিশ জানায়, অভিযানে ৪টি এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় ৪৪১ জন অপরাধীকে। এর মধ্যে পল্লবীতেই ২০২ জন, মোহাম্মদপুরে ৫৯ জন, আদাবরে ৪৫ এবং গেন্ডারিয়ায় ৩৮ জনকে আটক করা হয়। উদ্ধার করা হয় দেশি বিদেশি অস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য।
ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ জানান, মোহাম্মদপুর ও পল্লবীতে কিশোর গ্যাংয়ের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। সামনেও অব্যাহত থাকবে এই বিশেষ অভিযান।পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারদের তথ্য প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে যাদের নামে সুনির্দিষ্ট মামলা রয়েছে তাদের আদালতে পাঠানো হবে এবং অন্যদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেয়া হবে।
অভিযানে থানা পুলিশের পাশাপাশি, ডিবি, এপিবিএন ও এসআরবির সদস্যরা অংশ নেয়।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার