ডেস্ক নিউজ
কারিগরি সমস্যার কারণে ঢাকায় অবস্থিত এমআরভি-এর কেন্দ্রীয় সার্ভার সাময়িকভাবে অচল হয়ে পড়েছে। ফলে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশি মিশনগুলোতে ভিসা ও নো-ভিসা সেবা সাময়িকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।
ভিসা সার্ভারে সাময়িক কারিগরি ত্রুটির কারণে আবেদনকারীরা ভিসা আবেদন জমা দেওয়া এবং ভিসা-সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন।
সংশ্লিষ্ট কারিগরি দল দ্রুত সমস্যাটি সমাধানে কাজ করছে জানিয়ে দূতাবাস আবেদনকারীদের সাময়িক অসুবিধাটি বিবেচনায় রাখার অনুরোধ করেছে। পাশাপাশি সিস্টেম পুরোপুরি সচল না হওয়া পর্যন্ত, যেখানে সম্ভব, ভিসা প্রক্রিয়াকরণের ওপর নির্ভরশীল জরুরি ভ্রমণ পরিকল্পনা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, লিসবন দূতাবাস জানিয়েছে, ঢাকায় অবস্থিত এমআরভি-এর কেন্দ্রীয় সার্ভার সাময়িকভাবে অচল থাকায় ভিসা ও নো-ভিসা সেবা প্রদান বিঘ্নিত হচ্ছে।
দূতাবাস জানায়, কেন্দ্রীয় সার্ভার দ্রুত সচল করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কারিগরি দল কাজ করছে। সার্ভার পুনরায় চালু হওয়ার পর ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর থেকে ইতিবাচক সংকেত পাওয়ার পর পরবর্তী বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সবাইকে জানানো হবে।
সাময়িক এই অসুবিধার জন্য আবেদনকারীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে ব্যাংকক ও লিসবন মিশন। একই সঙ্গে সবার ধৈর্য ও সহযোগিতা কামনা করেছে তারা।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার