ডেস্ক নিউজ
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে যুক্তরাষ্ট্রে হেনস্তার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন ওই সরকারের সাবেক ১২ জন উপদেষ্টা।বিবৃতি দেওয়ার বিষয়টি বিবিসি বাংলাকে নিশ্চিত করেছেন সাবেক উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন ও ড. আসিফ নজরুল।
সাবেক উপদেষ্টাদের বিবৃতির বরাত দিয়ে বিবিসি বাংলার খবরে বলা হয়েছে, ‘সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে লক্ষ্য করে চলমান হয়রানি, অনলাইনে অপপ্রচার এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আক্রমণের ঘটনায় আমরা ক্ষোভ প্রকাশ করছি এবং সম্ভাব্য কঠোরতম ভাষায় এর নিন্দা জানাচ্ছি।’
বাংলাদেশ ‘যখন সম্পূর্ণ বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে ছিল’, তখন অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দেশকে পুনর্গঠনের কাজে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে উল্লেখ করে এতে বলা হয়, ‘গভীর দুঃখের সঙ্গে আমরা লক্ষ্য করছি, কিছু রাজনৈতিক দুর্বৃত্ত এবং একটি স্বার্থান্বেষী মহল অধ্যাপক ইউনূসকে ঘিরে নিরলসভাবে বিদ্বেষপূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে যাচ্ছে এবং তাকে শারীরিকভাবে হুমকি দিচ্ছে। অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি এবং অন্তর্বর্তী সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতা ও ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করার লক্ষ্যে নেওয়া এ ধরনের কাপুরুষোচিত কৌশলের আমরা তীব্র নিন্দা জানাই।’
‘বাংলাদেশের জনগণ এবং তরুণদের বিপুল আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত সংস্কার ও মর্যাদার ঐতিহাসিক আকাঙ্ক্ষাকে ক্ষমতাচ্যুত ফ্যাসিবাদী শাসন ও তার সমর্থকদের বিদ্বেষপূর্ণ অপপ্রচার ও প্রচেষ্টার মাধ্যমে মুছে ফেলা যাবে না, এবং তা হতে দেওয়া হবে না’ বলেও ইংরেজিতে দেওয়া বিবৃতিটিতে বলা হয়েছে।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার