ডেস্ক নিউজ
সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর এই তিনটা মাস আমাদের জন্য খুবই কঠিন একটি অবস্থা। এসময় ডেঙ্গু পরিস্থিতি মারাত্মক অবনতি রূপ নিতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ (সালেহ শিবলী)।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
এই সময়টাকে ঝুঁকিপূর্ণ সময় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব বলেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি কিন্তু আপনি আগে চিকিৎসা করে প্রতিরোধ করা সম্ভব না। তাহলে কি করতে হবে? এডিস মশার লার্ভা যেখান থেকে তৈরি হয়, ঘরে এসির পেছনে জমে থাকা পানি, যেকোনো জায়গায় জমে থাকা পানি, চার পাশে গর্তে জমে থাকা পানি পরিষ্কার করে রাখতে হবে। এবং এটা এই মাস এবং আগামী মাস খুবই ঝুঁকিপূর্ণ সময়।
প্রত্যেকদিন অন্তত পাঁচ মিনিট করে সময় বরাদ্দ করতে হবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য জানিয়ে সালেহ শিবলী বলেন, আমরা যদি নিয়মিত প্রতি শনিবারে একটু পরিচ্ছন্ন অভিযান শুরু করি, যে ময়লা পানি ঘরে রাখবো না, তাহলে আমরা এই রোগটা থেকে, এই মরণঘাতী ডেঙ্গু থেকে আমরা রক্ষা পেতে পারব।
এসময় আমরা যদি প্রত্যেকেই প্রত্যেকের ঘর পরিষ্কার করি আজ থেকে, এখন থেকে। তাহলে আমার ধারণা যে, ইনশাল্লাহ আমরা আমাদের সুরক্ষিত রাখতে পারবো বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার