ডেস্ক নিউজ
জনগণের সমস্যার সমাধান করা রাষ্ট্রের প্রধান কাজ বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি শেখ ফজলুল করীম মারুফ।
তিনি বলেছেন, জনগণ নাগরিক সুবিধা পাওয়ার আশায় ট্যাক্স দেয়, কিন্তু নাগরিক সুবিধা পায় না। গ্যাসের বিল দিলেও গ্যাস নাই। মাস শেষে বিলের বোঝা নগর জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলছে।ডেঙ্গুর প্রকোপ, ডায়রিয়া, জলাবদ্ধতা, যানজট, ছিনতাই, রাহাজানির কারণে নগর জীবন বিপর্যস্ত।
তিনি বলেন, যারা প্রশাসকের দায়িত্বে আছে, তাদের কাজেকর্মে নাগরিকের প্রতি দায়বদ্ধতার ছাপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে জনগণকে সাবলীল জীবনযাপনের সুযোগ দিন। ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে নাগরিকের প্রতি দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করুন।
নগর সভাপতি আরও বলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জনগণ বঞ্চিতের তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করছে। স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরেও নগরকে নিয়ে কোনো দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা লক্ষ্য করা যায়নি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে এসেছে। জনগণ আমাদের ওপর আস্থা রাখলে ঢাকা মহানগরকে একটি স্মার্ট নগরীতে পরিণত করবো, ইনশাআল্লাহ্।
নগর সেক্রেটারি কে এম শরীয়াতুল্লাহর সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- নগর সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল আউয়াল মজুমদার, সাংগঠনিক সম্পাদক-আলহাজ নজরুল ইসলাম খোকন, মাওলানা নজরুল ইসলাম, মাওলানা কামাল হোসাইন, টিএম মাহফুজ, হাফেজ সালাহউদ্দীন, মাওলানা তারিক মাসউদ, আলহাজ বেলাল হোসেন আরিফ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক ইউসুফ আহমাদ মানসুর, ছাত্রী ও মহিলা ইউনিট সম্পাদক হাফেজ মাওলানা মাহবুবুর রহমান, সহ-দফতর সম্পাদক বিলাল হোসাইন পাটোয়ারী, সহ-দাওয়াহ ও জনশক্তি সম্পাদক মাওলানা নিজাম উদ্দীন,সাইফুর রহমান, আরিয়ান মো. ইমন প্রমুখ।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার