ডেস্ক নিউজ
কক্সবাজারের উখিয়ার টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ জন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চীনা ভাষা ও সংস্কৃতি বিভাগের পঞ্চম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাফিজ তেহামীসহ তার পরিবারের ছয় সদস্য রয়েছেন।
নাফিজ তেহামীর পরিবারের নিহত অন্য সদস্যরা হলেন- নাফিজ তেহামীর বোন মেলিতা মেহেজাবিন আলভি, লায়লা জাহান নাবিলা, মালিহা মিলা, সাবরিন ও শিশু ফাইজান আহাম্মেদ। নাফিজ তেহামীসহ পরিবারের নয়জন ওই রিসোর্টে ছিলেন। তাদের ছয়জন অগ্নিকাণ্ডে নিহত হয়েছেন।
এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম। এক বিবৃতিতে সাদিক কায়েম জানান, কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে কথা বলে তিনি নাফিজ তেহামীসহ তার পরিবারের ছয় সদস্যের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছেন।
এ ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক। আমরা পুরো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার এই মর্মান্তিক ঘটনায় গভীরভাবে শোকাহত।সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, অগ্নিকাণ্ডে মোট ১০ জন পর্যটকের মৃত্যুর তথ্য মিলেছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে আরও কয়েকজন হাসপাতালে ভর্তি।
শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পাটুয়ারটেক এলাকার টুপটুপ রিসোর্টে এ অগ্নিকাণ্ড হয়। স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে হঠাৎ রিসোর্টটিতে আগুন লাগে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা শুরু করেন। উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে সকাল ১০টা পর্যন্ত পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে আরও পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার হয়।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার