ডেস্ক নিউজ
সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে প্রায় পাঁচ মাস পর বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দেশে ফিরছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস। তাকে বহনকারী বিমানটি রাত ৯টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের এ তথ্য জানানো হয়।
মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাস জানিয়েছেন, জ্ঞান ফেরার পর থেকে মির্জা আব্বাস দেশে ফেরার জন্য অস্থির হয়ে আছে।
আফরোজা আব্বাস বলেন, আমরা প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস দেশের বাইরে ও অসুস্থ হওয়ার পরে ওকে অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে আসলাম সিঙ্গাপুরে জেনারেল হাসপাতাল। ওখানে দেড় মাস থাকার পরে প্রিন্স কোর্ট মেডিক্যাল সেন্টারে নিয়ে আসলাম। তার নিউরো সমস্যা ঠিক হয়ে গিয়েছিল, তখন রিহ্যাব লাগতো আরকি। ওর তো রিহাব করছিল এখনও কন্টিনিউয়াসলি। এখন কিন্তু ও স্টিক নিয়ে হাটে, পুরাপুরি সাপোর্ট ছাড়া নিজে হাঁটতে পারে না। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে এবং দেশবাসীর দোয়ায় ও বেঁচে ফিরেছে এবং ধীরে ধীরে অনেক সুস্থ হয়ে উঠেছে।
তিনি বলেন, জ্ঞান ফেরার পরপরই শুধু বলছে আমি দেশে যাবো, আমি আমার বাড়ি যাবো। ওর বাড়িটাকে খুব মিস করে, নিজের বাড়িটা আর দেশটাকে। অস্থির হয়ে আছে কবে দেশে যাবে। ফিজিওথেরাপি করতে চাইতো না দেশে যাওয়ার জন্য এতটাই সে অস্থির ছিল। তখন ডাক্তারও বললো, এটাও একটা পার্ট ফিজিওথেরাপির, তোমরা ওকে নিয়ে যাও অন্তত কিছুদিন ও থেকে… কিন্তু ওর কন্টিনিউয়াস করতে হবে। অন্তত দু-বছর ওকে মানে নরমাল মানুষরা যেভাবে ব্যায়াম করে এক্সারসাইজ করে জিমে গিয়ে সেরকম ওকে করতে হবে আর কি। কিন্তু এখন যদি বন্ধ করে দেয় আবার হয়তো পিছিয়ে যাবে কিছুটা। এখন ও তো নিজে মোটামুটি সব করতে পারে এবং লাঠি দিয়ে হাঁটতে পারে।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার