
সাব্বির হোসাইন
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা
ছাত্রশিবির কর্তৃক গুম ও অপহরণের নাটক সাজিয়ে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের অবমাননা, অনলাইনে সরকারবিরোধী মিথ্যাচার প্রচার এবং ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনসহ সকল ঘৃণ্য অপরাধের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, বরুড়া উপজেলা ও পৌরসভা শাখা
রবিবার ১৫ জুন দুপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিএনপি অফিস গেটের সামনে গিয়ে সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
মিছিলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি কায়সার আলম সেলিম, বরুড়া পৌরসভা ছাত্রদলের সভাপতি তৈকির আলম পাবেল ও সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম সাদ্দামসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ও কলেজ শাখার শতাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, "ছাত্রশিবির পরিকল্পিতভাবে গুম-অপহরণের নাটক সাজিয়ে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের ত্যাগকে হালকা করছে। একই সঙ্গে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সরকারবিরোধী মিথ্যাচার ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মতো ঘৃণ্য অপরাধেরও আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।"
বক্তারা এসব অপকর্মের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান এবং প্রশাসনের প্রতি কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার