স্টাফ রিপোর্টার
‘‘তারন্যের শক্তি,মাবতার জয়-সেবাই আমাদের পরিচয়’’ স্বপ্ন পূরণের অঙ্গীকারনামা-স্বপ্নের সিঁড়ি ফাউন্ডেশন পাশে আপনার” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামের ৪নং শ্রীপুর ইউনিয়নের এক ঝাঁক তরুণদের নিয়ে গঠিত হয় স্বপ্নের সিঁড়ি ফাউন্ডেশন।
জানাযায়, কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ৪নং শ্রীপুর ইউনিয়ন ভোঁয়াই গ্রামের হতদরিদ্র আনা মিয়ার চা দোকান দুষ্কৃতকারীরা রাতের আধারে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়। আনা মিয়ার পরিবার চালানোর একমাত্র উপার্যনের মাধ্যম ছিলো এই চা দোকান। বয়োবৃদ্ধ আনা মিয়া নতুন করে দোকান চালু করার মত আর্থিক সক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। আনা মিয়া ও পরিবারের কথা চিন্তা করে তাদের পাশে দাঁড়ালেন স্বপ্নের সিঁড়ি ফাউন্ডেশন।
দুর্বৃত্বদের আগুনে পুড়ে যাওয়া চা দোকানটি নতুন করে চালু করার জন্য তাকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন স্বপ্নের সিঁড়ি ফাউন্ডেশন। স্বপ্নের সিঁড়ি ফাউন্ডেশনের নতুন যাত্রায় তাদের এই মানবিক উদ্যোগে এলাকায় জনসাধারণের প্রশংসায় ভাসছেন এই প্রতিষ্ঠানটি। এলাকাবাসী তাদের অগ্রযাত্রাকে স্বাগত জানিয়ে ভবিষ্যৎ সফলতা কামনা করেন।
এই সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, স্বপ্নের সিঁড়ি ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি গাজী মোহাম্মদ হেলাল। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি শাজাহান সাজু, সাধারন সম্পাদক- আলমগীর হোসাইন নবীন হাজারী, সংগঠনের কার্যকরী নির্বাহী সদস্য: খলিলুর রহমান, আবু তাহের মুন্সী, মাকসুদ আলম সবুজ, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য- মমিনুল ইসলাম, গিয়াস উদ্দিনসহ এলকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, স্বপ্নের সিঁড়ি ফাউন্ডেশন মূলত একটি সামাজিক বা মানবিক সংগঠন যা সুবিধা বঞ্চিত মানুষের জন্য কাজ করবে। আমাদের লক্ষ সামাজিক উন্নয়ন, জনসেবা এবং বিভিন্ন মানবিক সহায়তা প্রদান করা।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার