আবদুল মান্নান
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে শহীদ হাজী সুরুজ মিয়া স্মৃতি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার আলকরা ইউনিয়নের পদুয়া সুফিয়া রহমান উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা: সৈয়দ আবদুল্লাহ মু. তাহের। শহীদ হাজী সুরুজ মিয়ার ছেলে বায়োফার্মা লি: এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার কাজী হুমায়ুন কবীর এর সভাপতিত্বে ও আলাউদ্দিন মিশাদের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মানবাধিকার সংস্থার চেয়ারম্যান সৈয়দ একরামুল হক হারুন, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াত আমীর মাহফুজুর রহমান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সৈয়দ মহিউদ্দিন, কনকাপৈত ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন মজুমদার, জগন্নাথদিঘী ইউনিয়ন জামায়াত আমীর মো: সাহাব উদ্দিন, জামায়াতের উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাও: এটিএম মাসুম, পদুয়া সুফিয়া রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক অনিল চন্দ্র দেবনাথ, সাবেক সহকারী শিক্ষক এয়াসিন, সমাজসেবক হুমায়ুন কবীর বকুল, আলকরা ইউপি চেয়ারম্যান আবুল বশর, আমকরা ইউনিয়ন জামায়াত আমীর মাও: কুতুব উদ্দিন, সেক্রেটারি আবু নাসের প্রমুখ। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ডা: তাহের বলেন, আজকের এই ফুটবল টুর্নামেন্ট আমার কাছে সাধারণ প্রতিযোগীতার চেয়ে আরো বেশি কিছু। ১৯৯৮ সালের ৫ই অক্টোবর ছেলেকে হত্যা করতে আসা সন্ত্রাসীদের হামলায় নিজ বাড়িতে শহীদ হন হাজী সুরুজ মিয়া। আমরা ঠিকমতো জানাজাও পড়তে পারিনি। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সেই অবস্থাকে পুরোপুরিভাবে পরিবর্তন করে দিয়েছেন বাংলাদেশে। কয়েক হাজার দর্শক উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলায় পাঁছগাছিয়া ফুটবল একাদশকে ট্রাইবেকারে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় শর্শদি ফুটবল একাদশ।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার