
চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:
নির্ভূল নির্ণয় ও সুস্থ্য জীবনের প্রত্যয়ে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পপুলার ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের শুভ উদ্ভোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার বিকেলে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্নে ডায়াগনষ্টিক সেন্টার প্রাঙ্গণে আয়োজিত উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান আবুল খায়ের।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের আমীর মাহফুজুর রহমান, সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেম,
উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি হারুনুর রশিদ মজুমদার, চৌদ্দগ্রাম সরকারী কলেজের সাবেক ভিপি জাহাঙ্গীর হোসেন, সাবেক কাউন্সিলর কাজী বাবুল ফাষ্ট কেয়ার নাজ হাসপাতালের পরিচালক মোঃ ইলিয়াছ,
পপুলার ডায়াগনষ্টিকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলমগীর হোসেন, পরিচালক ডাঃ তারেক হোসেন, কাজী মাছুম, জালাল উদ্দিন রাজন, আরিফুর রহমান প্রমুখ।
প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান আবুল খায়ের জানান, রোগ নির্ণয়ে সর্বাধুনিক যন্ত্রপাতির সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠানটি উন্নত স্বাস্থ্যসেবায় অঙ্গীকারাবদ্ধ। এখন থেকে উন্নত চিকিৎসায় কিংবা রোগ নির্ণয়ে রোগীদের আর কুমিল্লা কিংবা ঢাকার হাসপাতাল নির্ভর হতে হবে না। চৌদ্দগ্রাম বাজারেই নিশ্চিত করা যাবে উন্নত পরিক্ষা নিরীক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার