চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত দেশব্যাপী খাল খনন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে স্বর্পলোনা ও মিতল্লা খাল খনন কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর মেয়র মো. নুরুল আমিন এই খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
এ উদ্যোগের ফলে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে পৌরসভার অন্তত ২৬টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ। চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা র্কতৃপক্ষ জানায়, র্স্বপলোনা ও মতিল্লা খালটি সীমান্ত পরেয়িে ভারত থকেে শুরু হয়ে চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার উপর দয়িে প্রবাহতি হয়ে ডাকাতয়িা নদীতে মশিছে।ে র্দীঘ সময় ধরে খাল দুটতিে পলি ও ময়লা জমা হওয়ায় নাব্যতা কমে যায়।
ফলে ২০২৪ সালরে ভয়াবহ বন্যায় পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়ে পৌরসভার বভিন্নি গ্রামে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতরি সৃষ্টি হয়। পরস্থিতিি ববিচেনায় র্স্বপলোনা খালরে প্রায় ৩ কলিোমটিার অংশ এবং মতিল্লা খালরে কছিু অংশ পুনখননরে সদ্ধিান্ত নয়ে পৌর র্কতৃপক্ষ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যদরে মধ্যে উপস্থতি ছলিনে উপজলো জামায়াতরে আমীর মাহফুজুর রহমান, উপজলো বএিনপরি সাংগঠনকি সম্পাদক গয়িাসউদ্দনি, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা সহকারী প্রকৌশলী ওয়াসিম আকরাম, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান পাটোয়ারী, পৌর জামায়াতরে নায়বেে আমীর কাজী মো. এয়াছনি, উপজলো ক্রীড়া সংস্থার সক্রেটোরি খোরশদে আলম, দুলাল পাটোয়ারী, চৌদ্দগ্রাম প্রসে ক্লাবরে সক্রেটোরি বলোল হোসাইন, পৌর জামায়াত নতো জাফর ইকবাল লটিন, লয়িাকত শকিদার ও মীর হোসনে মীরু প্রমুখ।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার