চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ২৩০ পিছ ইয়াবা ও ২৩ বোতল বিদেশী মদসহ কামাল হোসেন ভুঁইয়া নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। কামাল উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের আমানগন্ডা গ্রামের মোহাম্মদ আলী ভুঁইয়ার ছেলে। শনিবার দুপুরে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন থানার উপ-পরিদর্শক তারেক আকাশ।
জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় আমানগন্ডা গ্রামে কামাল হোসেন ভুঁইয়ার বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশের একটি টিম। অভিযানকালে পুলিশ ২৩০ পিছ ইয়াবা ও ২৩ বোতল বিদেশী মদসহ কামাল ভুঁইয়াকে আটক করে।
সচেতন মহলের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কামাল ভুঁইয়া মাদক ব্যবসা করে আসছিল। এছাড়া মহাসড়কের পাশে নোয়াপাড়া এলাকায় নতুন বাড়িতে নারীদের দিয়ে অনৈতিক কাজ এবং অনলাইন জুয়া পরিচালনা করতো। ফলে উঠতি বয়সের ছেলে-মেয়েদের চরিত্র ধ্বংসের পথে।
এলাকায় কথিত আছে, তাকে আটক করার পর ১০ মিনিটও রাখতে পারবে না। তাঁর সাথে কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তি জড়িত থাকায় সাধারণ মানুষ ভয়ে কথা বলার সাহস পেতো না। এদিকে মাদকসহ কামাল ভুঁইয়াকে আটক করায় পুলিশকে অভিনন্দন জানায় নোয়াপাড়া ও আমানগন্ডা গ্রামের সচেতন মহল।
চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার উপ-পরিদর্শক তারেক আকাশ বলেন, মাদকসহ কামাল ভুঁইয়া নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা শেষে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার