গত ২ এপ্রিল রাতে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মাসকরা গ্রামের একটি বাড়িতে নারী ও মাদক সংক্রান্ত ঘটনায় সোনাপুর ও পাশ্ববর্তী মাসকরা গ্রামবাসীর ২ এপ্রিল ও ৪ এপ্রিল দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয় গ্রামের দোকান, বাড়িঘর ভাংচুর, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ করেছে প্রতিপক্ষের লোকেরা। আহত হন নারী, পুরুষসহ উভয় গ্রামের ১০-১৫ জন। বিশেষ করে ৪ এপ্রিল বিকেলে প্রকাশ্যে ডলবা গ্রামের সন্ত্রাসী মোঃ রুবেল ও মোহাম্মদ রানার নেতৃত্বে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে সশস্ত্র সন্ত্রাসী ও কিশোর গ্যাং নিয়ে মাসকরা গ্রামে লুটপাট, ভাংচুর করে। যা মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় উভয় গ্রামের ভুক্তভোগীরা বাদি হয়ে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ৬ টি মামলা দায়ের করেছে। এরমধ্যে কয়েকজন গ্রেফতারও হয়েছে।
কিন্তু ঘটনার কয়েকদিন পর চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সেক্রেটারী ইঞ্জিনিয়ার শাহ আলমের নেতৃত্বে একটি টিম সোনাপুর গ্রামের ঘরবাড়ি পুড়ে যাওয়া ওই বাড়িতে গিয়ে অনুদান হিসেবে খাদ্য সামগ্রী দেয়। ওই সময় ‘ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেয়ায় বাড়িঘরে আগুন’ লাগানো হয়েছে মর্মে একটি ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করে। যার সাথে সত্যতার বিন্দুমাত্র কোন সম্পর্ক নাই। প্রকৃতপক্ষে ঘটনাটি নারী ও মাদক সংক্রান্ত যা উভয় গ্রামসহ আশ-পাশের গ্রাম ও পুরো উপজেলার মানুষ জানে। কিন্তু বিএনপি রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে মিথ্যার আশ্রয় নেয়। এরই মধ্যে মঙ্গলবার(২৮ এপ্রিল) পুড়ে যাওয়া ঘর নতুন করে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবে মর্মে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ কামরুল হুদা একটি নোটিশ প্রচার করে। মিথ্যায় ভরা নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ‘ধানের শীষে ভোট দেয়ায় বাড়ি ঘর পুড়িয়ে দিয়েছে দূর্বৃত্তরা’-শীর্ষ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এ ভিডিও বিএনপির নেতাকর্মীরাই তৈরি করেছে। নারী ও মাদক সংক্রান্ত ঘটনা রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে বিএনপির মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
জামায়াত মনে করে, নারী ও মাদকের ঘটনাটি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে বিএনপি মাদক ও নারী সংক্রান্ত ঘটনাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমান
আমীর
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা
মুহাম্মদ বেলাল হোসাইন
সেক্রেটারী
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা