মৌলভীবাজারের কুলাউড়া পৌরসভার উত্তর মাগুরা এলাকার বাসিন্দা, কুলাউড়া সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক নুরুল ইসলাম খান এবং ভূয়াই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বেগম আয়েশা সিদ্দিকার নাতনি আসমা আহমেদ মুনা ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি হওয়ার জন্য মেধাতালিকায় স্থান করে নিয়েছেন। তার এ সাফল্যে পরিবার, শিক্ষক ও সহপাঠীদের মধ্যে আনন্দের ছোঁয়া লেগেছে।
মুনা ঢাকায় বসবাসরত শিক্ষানুরাগী দম্পতি নওরুজা খান হোলি ও প্রকৌশলী আলী আহমেদের কন্যা। ছোটবেলা থেকেই মেধাবী ও লক্ষ্যনিষ্ঠ মুনা ঢাকায় পড়ালেখা করে এ কৃতিত্ব অর্জন করেন।
এক প্রতিক্রিয়ায় মুনা বলেন, আমি ছোটবেলা থেকেই চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখেছি। একজন সফল চিকিৎসক হয়ে দেশের সেবা করতে পারাই আমার পরিশ্রমের আসল লক্ষ্য ও সার্থকতা হবে।
মুনার নানা অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক নুরুল ইসলাম খান বলেন, আমার নাতনির এ অর্জনে আমরা খুবই গর্বিত। সে যেনো মানুষের সেবায় নিজেকে নিবেদিত করে, সেই কামনাই করি।
উল্লেখ্য, ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ দেশের অন্যতম বেসরকারি মেডিকেল কলেজ। প্রতি বছর হাজারো শিক্ষার্থীর মধ্য থেকে মেধাভিত্তিতে স্বল্পসংখ্যক শিক্ষার্থী এখানে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পান।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার