কুমিল্লা প্রতিনিধি
চান্দিনায় এসিল্যান্ড সহকারী ১০হাজার টাকা ঘুষ নিয়েও খারিজ আবেদন বাতিলের শুনানি না করে ভুক্তভোগী নারীকে দীর্ঘ এক বছর ধরেই হয়রানী করছিলেন! এবিষয়ে এসিল্যান্ডকে কয়েক দফায় জানিয়েও প্রতিকার না পেয়ে সাংবাদিকদের অবগত করেন ভুক্তভোগী এক নারী (সাংবাদিক আলিমের আত্মীয়) ।

আজ দুপুরে চান্দিনায় এসিল্যান্ডের ফয়সাল আল নূর এর নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারীতা ও সেবাপ্রার্থীদের সাথে দুর্ব্যবহারের ভিডিও ধারন করায়, ফেইস দ্যা পিপল প্রতিনিধি আব্দুল আলিম ও মানবজমিন প্রতিনিধি রাসেল নামে ২ সাংবাদিককে হেনস্থার পর হ্যান্ডকাফ পড়িয়ে থানায় দীর্ঘ সময় আটকে রাখেন। এবং সাংবাদিকদের মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে ধারণকৃত
ভিডিও নিজেই ডিলিট করেন এসিল্যান্ড! এখানেই শেষ নয়, পরবর্তী এ বিষয় নিয়ে কোনরূপ বাড়াবাড়ি না করার শর্তে স্থানীয় বেশ কয়েকজন সাংবাদিকের সামনে আটককৃত ২ সাংবাদিক থেকে মুচলেকা রাখেন তিনি!
এ বিষয়ে কুমিল্লার বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ প্রতিবাদ জানিয়েছেন। মাঠ পর্যায়ে সংবাদ কর্মীদের মধ্যেও বিরূপ প্রতিক্রিয়া ও প্রতিবাদের ঝড় তৈরি হয়েছে।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার