ডেস্ক নিউজ
চট্টগ্রামে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান ও নিয়মিত মামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৫২৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় ২৭ হাজার ৯৯৫ পিস ইয়াবা, ৪ কেজি ২৩০ গ্রাম গাঁজা ও ১৬৯ লিটার চোলাই মদ জব্দ করা হয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) থেকে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার অভিযানে এসব গ্রেফতার ও জব্দ করা হয়েছে বলে চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশ কার্যালয় থেকে জানানো হয়।
চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী জানান, গ্রেফতার ৫২৮ জনের মধ্যে নিয়মিত মামলায় ৭৮ জন, পূর্ববর্তী মামলায় ১১০ জন, পুলিশ অ্যাক্টের ৩৪ ধারায় ২৪ জন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ১২ জন রয়েছেন। এছাড়া, কার্যবিধির ১৫১ ধারা ও অন্যান্য আইনে ৫১ জন, পরোয়ানা মূলে ৯৬ জন এবং সাজা পরোয়ানা মূলে ১৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মাদক মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে ১৩৯ জনকে। এর মধ্যে মাদক বহনকারী দুজন ও মাদক সেবনকারী ১৩৭ জন। পাশাপাশি নিয়মিত ও অন্যান্য মামলায় আরও ৪০ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার হয়েছেন ১৭৯ জন।
এদিকে মাদকবিরোধী অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৭০ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ সময় ১৩ হাজার ৯০০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।
অভিযানে ২৮টি মাদক মামলা করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, জনস্বার্থে মাদকবিরোধী এ বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার