ডেস্ক নিউজ
চট্টগ্রাম নগরের ডিটি রোডের মুনছুরাবাদ এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে অভিযান পরিচালনা করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় এডিস মশার লার্ভার উৎসস্থল পাওয়াসহ রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির দায়ে চারজনকে মোট ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) মুনছুরাবাদ এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন চসিকের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট চৈতী সর্ববিদ্যা।
অভিযানে ডিটি রোডের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের রাস্তা ও ছাদে স্তূপ করে রাখা টায়ারের মধ্যে জমাটবদ্ধ পানি পাওয়া যায়। এসব পানিতে এডিস মশার লার্ভা তৈরির আশঙ্কা ছিল।
এছাড়া রাস্তা ও ফুটপাত দখল করে দোকানের মালামাল রেখে পথচারীদের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়। এসব অপরাধে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করে মোট ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযান চলাকালে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও মশক নিধনে নগরবাসীকে সচেতন করতে চসিকের পক্ষ থেকে এলাকাবাসীর মধ্যে প্রচারণাও চালানো হয়।
চসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চৈতী সর্ববিদ্যা জানান, জনস্বার্থে পরিবেশ সুরক্ষা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে ।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার