গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:
সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ছয় প্রার্থীর মধ্যে চার প্রার্থীরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জারি করা পরিপত্র অনুযায়ী জানা যায়, নির্বাচনে অংশ নেয়া কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকায় প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ ভোট না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।
সে অনুযায়ী নির্বাচনে এ আসনে প্রদত্ত ভোটের নির্ধারিত অংশের ১ ভাগ ভোট না পাওয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী চার প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থীরা হলেন- জাতীয় পার্টির কাজী মশিউর রহমান (প্রাপ্ত ভোট ২ হাজার ৩৬০), স্বতন্ত্র এ্যাড. আব্দুর রউফ আকন্দ (প্রাপ্ত ভোট ১ হাজার ৫৫২), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র সৈয়দ তৌহিদুল ইসলাম তুহিন (প্রাপ্ত ভোট ১ হাজার ৩৭৩) এবং বিল্পবী ওয়ার্কার্স পার্টির আতোয়ারুল ইসলাম নান্নু (প্রাপ্ত ভোট ৩৬৮)।
উল্লেখ্য, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার একটি পৌরসভাসহ ১৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এ নির্বাচনী আসনে মোট ভোটার ছিল ৪ লক্ষ ৬৮ হাজার ৩৭৪। এর মধ্যে সর্বমোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ২ লক্ষ ৯২ হাজার ৫৯৬, মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা ২ লক্ষ ৮৫ হাজার ৫০৫ এবং বাতিলকৃত ভোটের সংখ্যা ৭ হাজার ৯১টি। ভোট প্রদানের হার ৬২.৯৪ শতাংশ।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার