ডেস্ক নিউজ
রাজধানীর শাহবাগ থানা এলাকায় ভুয়া ডিবি পরিচয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে খেলনা পিস্তল, ওয়াকিটকি, হাতকড়া ও ডিবি লেখা জ্যাকেটসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপির গোয়েন্দা মিরপুর বিভাগের একটি টিম।
গ্রেফতাররা হলেন- জুয়েল মৃধা (৩৮), মো. রমিজ তালুকদার (৩৬), জসিম তালুকদার ওরফে রিয়াজ (৪৬), মো. রহমান হাওলাদার (৩৯), মো. বিল্লাল (৩২) ও মো. মারুফ (৩৮)।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এ তথ্য জানান।
ডিবি মিরপুর বিভাগের বরাত দিয়ে আকতার হোসেন বলেন, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে গোয়েন্দা-মিরপুর বিভাগের অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও মাদক নিয়ন্ত্রণ টিম জানতে পারে, শাহবাগ এলাকার বারডেম হাসপাতালের বিপরীত পাশে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে কয়েকজন ব্যক্তি ভুয়া ডিবি পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।
ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি খেলনা পিস্তল, একটি খালি খেলনা ম্যাগাজিন, একটি ওয়াকিটকি, একটি হাতকড়া ও দুটি ডিবি লেখা জ্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।
জিজ্ঞাসাবাদের তথ্য জানিয়ে তিনি বলেন, গ্রেফতাররা দীর্ঘদিন ধরে ভুয়া ডিবি পরিচয় ও পোশাক ব্যবহার করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় লোকজনকে জিম্মি করে ডাকাতি করে আসছিল বলে জানা যায়।
তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ডিএমপির এই কর্মকর্তা।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার