মোহাম্মদ মাসুদ রানা, স্টাফ রিপোর্টার
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার ২নং ভেড়ভেড়ী ইউনিয়নের বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির মাঝে ফুটবল বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল ১১টায় টংগুয়া হাসনাবাদ ফাজিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এ ফুটবল বিতরণ করা হয়। এর আগে মাদ্রাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার খোঁজখবর নেন খানসামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুজ্জামান সরকার। পরে তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং নিজেই একটি গণিত ক্লাস নেন।
ক্লাসে ইউএনও শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার বিষয়ে উৎসাহিত করেন।
পরে তিনি ভেড়ভেড়ী ইউনিয়নের বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির মাঝে ফুটবল বিতরণ করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাইয়েদ আহমেদ সেলিম বুলবুল, ২নং ভেড়ভেড়ী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মেহরাজুল আলম সুফি, টংগুয়া হাসনাবাদ ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মাহবুবুর রহমান (জিএম), বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় ক্লাবের সদস্য এবং ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ।
ফুটবল বিতরণের মাধ্যমে তরুণদের খেলাধুলায় আরও বেশি সম্পৃক্ত করা এবং মাদক ও বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার