স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লা সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের মানবিক দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে রমজানের প্রথম ৫ দিনে ইফতার পেলেন প্রায় আড়াই হাজার রোজাদার ।
প্রতিদিনের ন্যায় সোমবার বিকেলেও কুমিল্লা সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের উদ্যোগে বিনামূল্যে প্রায় ৫৫০ জন দুস্থ ও ছিন্নমুল লোকের মাঝে বিনামূল্যে ইফতার বিতরণ করা হয়েছে।
রমজানের পঞ্চম দিনেও এই ইফতার বিতরণের মত মানবিক দায়িত্ব পালন করেছে সেনাবাহিনী।
কুমিল্লা সেনানিবাসের আশেপাশের বেশ কয়েকটি এলাকার মানুষ প্রতিদিন সেনাবাহিনীর কাছ থেকে ইফতার পাচ্ছেন।
সেনাবাহিনীর ইফতার পেতে বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে আসছেন অসহায় ও নিঃস্ব শ্রেণীর লোকজন।
বেশ কয়েকজন রোজাদার জানান, সারাদিন রোজা রেখে ইফতারের সময় যখন আসে তখন চিন্তা হয় ইফতার কি খেতে পারবো? আমাদের অনেকের কাছে ইফতার কেনার টাকা নেই। আমাদের সেই দুশ্চিন্তা দূর করে দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। তারা বরাবরের মতো আমাদের মত অসহায় মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। আমরা প্রতিদিন সেনাবাহিনীর দেয়া ইফতার খেতে পারছি। এমন মানবিক সেনাবাহিনী পেয়ে আমরা আনন্দিত। আমরা আশা করি সেনাবাহিনী এই মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে আর আমাদের মত অসহায় মানুষের পাশে সব সময় থাকবে। আল্লাহ এ জাতির সূর্যসন্তানদের সহায়ক হোন।
সেনাবাহিনীর এ মহতী উদ্যোগ প্রশংসিত হচ্ছে সর্ব মহলে।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার