স্টাফ রিপোর্টার
কুমিল্লা মোস্তফাপুর খানকায়ে ছালেহীয়া কমপ্লেক্স বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহ শাখার উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন উপলক্ষে আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে সাত দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল আলোচনা সভা, কিরাত, হামদ-নাত, বক্তৃতা প্রতিযোগিতা ও আনন্দ মিছিল।
মোস্তফাপুর খানকায়ে ছালেহীয়া কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণ থেকে আনন্দ মিছিলটি বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহর নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে আহ্বায়ক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোস্তফাপুর খানকায়ে ছালেহীয়া কমপ্লেক্সের মুদীর ও প্রধান শিক্ষক হাফেজ মাওলানা মুফতি মুহাঃ জাকারিয়া হুসাইন (মাঃ জিঃ আঃ)। এছাড়া নায়েবে মুদীর হাফেজ মোঃ মেহেদী হাসান উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মাওলানা মুহাম্মদ শাহিন আলম , হাফেজ মাওলানা মুহাঃ মামুন হোসাইন , মাওলানা মোঃ মিজানুর রহমান , মাওলানা মুহাঃ আঃ হামীদ , মাওলানা মোঃ মামুনুর রশীদ , মাওলানা মোঃ আঃ রাজ্জাক , মাওলানা মোঃ বোরহান উদ্দিন সহ বিভিন্ন এলাকার ওলামায়ে কেরাম।
আয়োজকরা জানান, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন, আদর্শ ও শিক্ষা মানুষের মাঝে তুলে ধরতে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সাত দিনব্যাপী এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে মোস্তফাপুর খানকায়ে ছালেহীয়া কমপ্লেক্সের সকল ছাত্র, শিক্ষক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার