স্টাফ রিপোর্টার:
বিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত মাহফিল, আলোচনা ও জুলুস অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও কুমিল্লা কেন্দ্রীয় ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন কমিটির সভাপতি মোঃ ইউসুফ মোল্লা টিপু'র সভাপতিত্বে আয়োজিত এ মহতী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সদর আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন খানকা শরীফ থেকে আগত পীর-মাশায়েখ, সম্মানিত আলেম-ওলামায়ে কেরাম এবং কুমিল্লার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা থেকে আগত বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার