নিজস্ব প্রতিবেদক
কুমিল্লা ওয়াসা বোর্ডের চেয়ারম্যান হলেন ভিপি ওয়াসিম কুমিল্লা ওয়াসা বোর্ডের চেয়ারম্যান হলেন আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম। তিন বছর মেয়াদে তাকে নিয়োগ প্রদান করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ।
০৯ আগস্ট মন্ত্রণালয়ের পানি সরবরাহ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মোছা: আকতারুন নেছা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই নিয়োগ প্রদান করা হয়। আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম বর্তমানে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের পদে রয়েছেন। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, পানি সরবরাহ ও পয়নিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ আইন অনুযায়ী আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিমকে কুমিল্লা ওয়াসা বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে তিন বছর মেয়াদে নিয়োগ প্রদান করা হলো।
চলতি বছরের ১৩ মে কুমিল্লা ওয়াসা গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত ও অনুমোদন দেওয়া হয়। ঐদিন সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা ও দ্রুত নগরায়ণের প্রেক্ষাপটে সুপেয় পানি সরবরাহ এবং দীর্ঘমেয়াদি নগর ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কুমিল্লা ওয়াসা গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের বৈঠকে এই উদ্যোগের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।
ওয়াসা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কুমিল্লা শহরের নাগরিকদের জন্য নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন পানি সরবরাহ, আধুনিক পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং কার্যকর পানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা হবে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই কর্তৃপক্ষ কুমিল্লা সিটি করপোরেশন এলাকার পানি সরবরাহ ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়নের সম্পূর্ণ দায়িত্ব পালন করবে।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার