সাব্বির হোসাইন
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় বোনের ভাড়া বাসার বাথরুম থেকে এক কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার (৫ জুলাই) দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের উত্তর শশীদল পূর্বপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জুনায়েদের বয়স (১৬) সে উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের কান্দুঘর গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত (১ জুলাই) সকালে জুনায়েদ তার বোনের ভাড়া বাসায় বেড়াতে আসে। রোববার দিবাগত রাতে দীর্ঘ সময় ধরে বাথরুমের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে আশপাশের লোকজনের সহায়তায় বাইরে থেকে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে বাথরুমে জুনায়েদকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তার বোন ও স্থানীয়রা। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে।
ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফারুক হোসেন বলেন, "খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ না থাকায়, মরদেহ পরিবারের লোকজনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।"
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার