কুমিল্লা প্রতিনিধি
কুমিল্লা জেলায় ১০ লাখ শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। আগামী রবিবার (২৮ জুন) দিনব্যাপী চলবে ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর এ ক্যাম্পেইন।
কুমিল্লা স্বাস্থ্য বিভাগের তত্ত্বাবধানে এবার ১৭ উপজেলা ও সিটি করপোরেশনের ৫ হাজার ৩৯টি কেন্দ্রে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ১০ লাখ ৮ হাজার ৯৭ শিশুকে নীল ও লাল রঙের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ক্যাপসুল খাওয়ানোর কাজে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ১০ হাজার ৭৮ জন স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত থাকবে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) কুমিল্লা সিভিল সার্জন কার্যালয় অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সিভিল সার্জন ডা. আলী নুর মোহাম্মদ বশীর আহমেদ এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ভিটামিন-এ ক্যাপসুল শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
ভিটামিন-এ ক্যাপসুল নিয়ে একটি কুচক্রীমহল দেশের স্বাস্থ্যখাতের সুনাম নষ্টের অপচেষ্টায় লিপ্ত থাকে। এই ক্যাপসুলে কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। মানুষের মাঝে আতঙ্ক ও বিভ্রান্তি সৃষ্টির অসৎ উদ্দেশ্যেই চক্রটি এসব করে থাকে। এ ধরনের গুজবে কান না দিয়ে সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. সাইফুল ইসলাম, পরিবার পরিকল্পনার সহকারী পরিচালক ডা. মো. শফিকুল ইসলাম, মেডিক্যাল অফিসার ডা. মো. ওসমান হোসাইন জাবীর, সিনিয়র স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. ফিরোজ আল মামুন প্রমুখ।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার