স্টাফ রিপোর্টার:
জেলা কর আইনজীবী সমিতি, কুমিল্লার বার্ষিক সাধারণ সভা শনিবার কর ভবনের আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১১ টায় কর আইনজীবী সমিতির আহ্বায়ক এডভোকেট মোঃ লুৎফুর রহমান রাজনের সভাপতিত্বে বার্ষিক সাধারণ সভা শুরু হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কর আইনজীবী ও পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট কাইমূল হক রিংকু। বিশেষ অতিথি ছিলেন কর আইনজীবী ও সাবেক পিপি এডভোকেট আ হ ম তাইফুর আলম। অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র কর আইনজীবী আশরাফ উদ্দিন রহমত, কর আইনজীবী ও সিনিয়র এডভোকেট জসীমউদ্দিন চৌধুরী শিশু। উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র কর আইনজীবী মোঃ লিয়াকত আলী , কর আইনজীবী ও স্পেশাল পিপি একেএম মাহবুবুল হক খন্দকার প্রমুখ।
সভায় বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সমিতির সদস্য সচিব কর আইনজীবী ও এডভোকেট মনিরুল ইসলাম। আলোচনায় অংশ নেন সমিতির যুগ্ম-আহ্বায়ক মোঃ আবুল মিয়া, কর আইনজীবী হামিদ তালুকদার, কর আইনজীবী মোঃ বাবর মিয়া, কর আইনজীবী কামাল আহমদ প্রমুখ। সভা সঞ্চালনা করেন কর আইনজীবী ও এডভোকেট ইফতেখার হোসেন।
সভার শুরুতে নবীন কর আইনজীবীদের বরন করে নেওয়া হয়। পটপরিবর্তনের পর এবারই সর্বাধিক সংখ্যক আইটিপি ও এডভোকেটগণ কর আইনজীবী হিসেবে যোগদানের সুযোগ পেলেন।
সভায় সদস্য কল্যান তহবিল গঠন, সদস্য চাঁদা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও প্রস্তাব তুলে ধরে বক্তব্য দেন সমিতির সদস্যরা। সভায় সাধারন সম্পাদকের উপস্থাপিত প্রতিবেদন, অডিটকৃত অর্থনৈতিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হয়।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার