ডেস্ক নিউজ
ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগের সাত নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায়কে অপরাধীদের বিচারে বিএনপি সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খাঁন।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন।
‘জামায়াত-এনসিপি মিথ্যা ন্যারেটিভ ছড়িয়ে দিয়েছিল যে, বিএনপি সরকার গণহত্যার বিচার করবে না! কিন্তু ওবায়দুল কাদেরসহ খুনিদের ফাঁসির রায়ের মাধ্যমে প্রমাণিত হলো, বিএনপি সরকার অপরাধীদের বিচারে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।’
‘যেখানে গণহত্যার বিচারে জামায়াতের সহযোগিতা কাম্য ছিল, সেখানে উল্টো আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে জামায়াতের আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান। শুধুমাত্র ভোটের রাজনীতির জন্য খুনিদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে গণহত্যার বিচারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল জামায়াত।’
‘প্রকৃতপক্ষে তারা মুখে মুখে গণহত্যার বিচারের কথা বললেও, বিএনপিকে ট্যাগিং করাই ছিল তাদের রাজনীতি। আজকে অন্তত কিছুটা প্রশান্তি লাগছে যে, জামায়াতের মিথ্যাচার পরাজিত হয়েছে।’
রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘আমি ধন্যবাদ জানাই, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর জনাব মো. আমিনুল ইসলামাসহ পুরো প্রসিকিউশন টিমকে, যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করার মাধ্যমে খুনিদের বিরুদ্ধে রায় প্রদানে সহযোগিতা করেছে।’
‘পরিশেষে আমি জামায়াতকে বলবো, ১৯ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ থেকে এতদিন গণহত্যার বিচার নিয়ে বিএনপি সরকারকে মিথ্যা ট্যাগিং করার জন্য জাতির কাছে দুঃখপ্রকাশ করুন।’
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার