ডেস্ক নিউজ
ইউরোপীয় উড়োজাহাজ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার লক্ষ্যে আগামী বুধবার (৭ অক্টোবর) চুক্তি সই করতে যাচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। ঢাকার একটি হোটেলে বহু কোটি ডলারের এই ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
চুক্তির আওতায় বিমান ৪টি এয়ারবাস এ৩৫০-৯০০ ওয়াইডবডি এবং ৬টি এ৩২১নিও ন্যারোবডি উড়োজাহাজ কিনবে। জাতীয় পতাকাবাহী এয়ারলাইন্সটির দূরপাল্লা ও আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, কেবল এয়ারবাসের এই ক্রয় প্যাকেজের মূল্যই ২০০ কোটি (২ বিলিয়ন) ডলার ছাড়িয়ে যাবে।
এর আগে গত ৩০ এপ্রিল ও ২৩ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং কোম্পানির সঙ্গে দুটি পৃথক চুক্তির মাধ্যমে মোট ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করে বিমান। যার মোট মূল্য ধরা হয় প্রায় ৬৪০ কোটি ডলার। বোয়িং থেকে ১৫টি ওয়াইডবডি ও ১০টি ন্যারোবডি উড়োজাহাজ কেনা হচ্ছে, যা ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে বহরে যুক্ত হওয়ার কথা। তবে অন্তত একটি উড়োজাহাজ ২০২৭ বা ২০২৮ সালের মধ্যে সরবরাহের অনুরোধ জানিয়েছে বিমান।
বোয়িং ও এয়ারবাস মিলিয়ে মোট ৩৫টি নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হওয়ার পাইপলাইনে রয়েছে, যা বাংলাদেশ বিমানের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বহর সম্প্রসারণ কার্যক্রম। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে বিমানের আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ যাত্রী পরিবহন সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার