
এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে জালিয়াতি প্রতিরোধ, কমপ্লায়েন্স নিশ্চিতকরণ ও নিরাপদ ব্যাংকিং সেবার মানোন্নয়নে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এর কক্সবাজার শাখার উদ্যোগে এবং এজেন্ট ব্যাংকিং ডিভিশনের সমন্বয়ে “এজেন্ট আউটলেটগুলোতে জালিয়াতি ও প্রতারণা প্রতিরোধ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা” সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক ও ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ডিপার্টমেন্টের প্রধান মোঃ ইকবাল মহসীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক(এফআইডি) মো. আলী হোসেন ও এজেন্ট ব্যাংকিং ডিভিশনপ্রধান আবুল লাইস মোহাম্মদ খালেদ। এতে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের চট্টগ্রাম দক্ষিণ জোনপ্রধান আব্দুল নাসের। স্বাগত বক্তব্য দেন কক্সবাজার শাখাপ্রধান মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন খান।
কর্মশালায় এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের নীতিমালা, দায়িত্ব ও কর্তব্য, কমপ্লায়েন্স, জালিয়াতি শনাক্তকরণ এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করা হয়। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে গ্রাহকের আস্থা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নীতিমালা অনুসরণ, সতর্কতার সঙ্গে লেনদেন পরিচালনা এবং সংশ্লিষ্টদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বারোপ করা হয়।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার