কুমিল্লা প্রতিনিধি
জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির কুমিল্লা- ১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসন থেকে জামাত দলীয় মনোনীত প্রার্থী সাবেক এমপি ডাঃ সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোঃ তাহের বলেছেন, আমরা যাদের সাথে এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি, তারা যখন ক্ষমতায় ছিল বাংলাদেশ দুর্নীতিতে তিনবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। জামায়াত হত্যা, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির রাজনীতি চায় না। অতীতে কোন সরকারের সময় দুর্নীতি কমেনি।
আমরা আবার দুর্নীতি, নৈরাজ্য, চাইলে তাহলে সেখানে ভোট দিতে হবে। আর যদি একটি নিরাপদ, উন্নত বাংলাদেশ চাই, তাহলে দুর্নীতি নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ১১ দলীয় জোটকে ভোট দিবেন।
ডাঃ তাহের বুধবার বিকেলে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কনকাপৈত ইউনিয়নে তারাশাইল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জামায়াতের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব বলেন।
ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর মাওলানা হাসান মজুমদারের সভাপতিত্বে ও জামায়াত নেতা নাজমুল হক মোল্লা বাদলের পরিচালনায় জনসভায় বিশেষ অতিথি ডাকসু'র জিএস এস এম ফরহাদ বলেন, আগামিতে বিএনপি আসলে লুটপাট হবে। চাপাবাজি, গলাবাজি করে এমপি হয়ে লাভ নাই।
১২ ফেব্রুয়ারি দেশের মানুষের ভাগ্য নির্ধারিত হবে। মাদক, চাঁদাবাজির জন্য পিছনের মড়লেরা বসে আসে। ভুল প্রার্থী নির্বাচিত হলে জনগণকে এটার চরম মাশুল দিতে হবে।
জনসভায় বিশেষ অতিথিদের মধ্যে আরো ছিলেন, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমীর মাহফুজুর রহমান, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মজিবুর রহমান ভুঁইয়া, জামায়াতের চৌদ্দগ্রাম উপজেলার সাবেক আমীর ভিপি সাহাব উদ্দিন, সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন, ব্যবসায়ী মহিউদ্দিন আহমেদ ভুঁইয়া নঈম, সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেম, মোস্তফা নুরুজ্জামান খোকন, আবুল খায়ের, ইকবাল হোসেন মজুমদার, ওয়াজী উল্লাহ ভুঁইয়া খোকন, ইঞ্জিনিয়ার মজিবুর রহমান, এমদাদুল হক শাহী, রুহুল আমিন, মমিনুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা শাহজালাল, অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় মাদরাসা কার্যক্রম সম্পাদক আলাউদ্দিন আবির, ব্যবসায়ী শাহ আলম খোকন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গণভোট প্রচারণায় এনসিপির অ্যাম্বাসেডর আবু সুফিয়ান, যুগ্ম সমন্বয়ক মামুন মজুমদার, তারাশাইল উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি শাহ আলম, জামায়াত নেতা নজরুল ইসলাম বাহার, কাজী ইলিয়াছ, মাওঃ এয়াছিন ফরাজী, মজিবুল হক দুলাল, মনির উদ্দিন পাটোয়ারি, জামাল উদ্দিন লিটন, পেয়ার আহমদ, শাহআলম খোকন, জাকির হোসেন, জিয়াউল হক জিয়া, ওবায়দুল হক, জসিম ভেন্ডার, মোঃ শাহজালাল, মোঃ সুমন, কাজী জসিম, মাওঃ নুর মোহাম্মদ, আবুল, জামাল উদ্দিন লিটন, সাইফুল ইসলাম, আলহাজ্ব মোস্তফা, মাওঃ আবুল কাশেমসহ কানায় কানায় পুর্ণ ছিল বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও বিপুল সংখ্যক মানুষ।