চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি
কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী কামরুল হুদা বলেন - এখানে একজন প্রার্থী তার নিজের প্রতি কোন আস্থা নাই, একজন হাইব্রিড নেতা যিনি জিয়াউর রহমানের নামে পরিচিত ওলি সাহেবকে নিয়ে প্রচারনা করছেন। ওলি সাহেব নিজেই বলতেন জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক।
এখন আজগুবি কারবার সাদা টুপি সাদা দাড়ি সকল কিছু সাদা তিনি নাকি বলেন স্বাধীনতার ঘোষক নাকি কর্নেল অলি। ওলি সাহেব তার এক লেখনীতে বলেছেন কালুরঘাট ব্রিজের সামনে একটি বাংকারের সামনে জিয়াউর রহমান বসে আছেন। ওই সময় অলি সাহেব ভয় পেয়েছিলেন বললেন আমাদের চারদিক থেকে পাঞ্জাবীরা ঘেরাও করে ফেলেছে। ওই সময় কর্নেল অলি ভয় পেয়েছেন কিন্তু জিয়াউর রহমান ভয় পান নাই।
তিনি আরও বলেন-আমাদের নেতা কর্মীদের একটি দল ভয় দেখাচ্ছেন। মনে রাখবেন ভয় দেখিয়ে লাভ নেই, এ চৌদ্দগ্রামে সন্ত্রাসীদের জায়গা হবে না। এখানে যিনি প্রার্থী হয়েছেন তার বাড়ি চৌদ্দগ্রামে না পার্শ্ববর্তী উপজেলা ফেনীতে। আপনারা বিএস খতিয়ান দেখলে বুঝবেন তার বাড়ি পড়ছে ফেনীতে। ২০০১ সালে আমরা ভুল করেছি আর ভুল করতে চাই না। চৌদ্দগ্রাম বাসি আজ ঐক্যবদ্ধ, এখানে দল নাই মত নাই আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ, ধানের শীষ হচ্ছে সর্বদলীয় প্রার্থী ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি কাজী নাছিম বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল নির্বাচনী ইসতেহার সুন্দর একটি ঘোষণা দিয়েছেন আমাদের মা বোনদের কে ফ্যামিলী কার্ড আর কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড। এফ্যামেলী কার্ডের মাধ্যমে মা বোন কৃষকরা অনেক সুবিধা পাবেন। আমাদের এই উদ্যোগকে একটি দলের আমির বলেছেন আমরা যদি এসব নিয়ে সামনের দিকে যাই তাহলে উনারা আমাদেরকে লাল কাড দেখাবেন। তারা আমাদের কোন কাজ করতে দিবে না। তাহলে তারা কিভাবে স্লোগান দেয় আমরা এক সাথে গরবো দেশ। তাদের সকল কথা মিথ্যা।
রবিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে উজিরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইব্রাহিম খলিলের সভাপতিত্বে মিয়াবাজার এলএন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ধানের শীষের পক্ষে আয়োজিত জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ চৌধুরী পাশা, উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি সলিমুল্লা টিপু, উপজেল কৃষকদলের সভাপতি শাহ আলম, জাতীয় পার্টির নেতা হাজী আলী আশ্বব, জেলা যুবদল নেতা হামিদ উদ্দিন সুমন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডাঃ আনেয়ার হোসেন, জেলা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক তোফায়েল আহমেদ, জাতীয় পার্টির এমপি প্রার্থী ডাঃ মাইন উদ্দিন, সাবেক ছাত্রদল নেতা খোরশেদ আলম, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক জামাল উদ্দিন মামুন, সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক খোরশেদ আলম, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি ফখরুল হাসান, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি নূর মোহাম্মদ, যুবদল নেতা বিল্লাল হোসেন প্রমুখ।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার