ডেস্ক নিউজ
বকেয়া বেতন, মজুরি বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবি আদায়ে রাজধানীর উত্তরা আজমপুর এলাকায় আজাও সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন ৭-৮টি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। এতে বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
তিনি বলেন, উত্তরার আজমপুর এলাকায় সকাল ১০টা থেকে ৬-৭টি কারখানার শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। অফিস টাইমে সড়ক অবরোধের কারণে আশপাশের সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
আন্দোলনরত শ্রমিকদের অভিযোগ, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্যের বাজারে বর্তমান বেতনে জীবনযাপন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বকেয়া পরিশোধ এবং নির্দিষ্ট দাবিতে বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও কোনো সুরাহা না পাওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে রাজপথে নেমেছেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করতে শিল্প পুলিশ ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলনরত শ্রমিকরা সড়ক থেকে সরে যাননি।এদিকে বুধবার দুপুর ১২টার দিকে এয়ারপোর্ট গোলচত্বরে শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করে ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবি জানান শ্রমিকরা।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার