ডেস্ক নিউজ
আগামী শিক্ষাবর্ষ (২০২৭) থেকে ষষ্ঠ শ্রেণির পাঠ্যসূচিতে চারটি নতুন বই যুক্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশের লক্ষ্যে কারিকুলামে যুগোপযোগী পরিবর্তন আনা হচ্ছে। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যক্রমে চতুর্থ শ্রেণিতে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি চর্চা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া ষষ্ঠ শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের জন্য আনন্দময় শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা এবং ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক বিষয়গুলো যুক্ত করা হয়েছে। এই চারটি নতুন বই আগামী বছর শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, পাঠ্যক্রমের অন্যান্য যেসকল ক্ষেত্রে সংস্কার ও পরিমার্জন প্রয়োজন, তা পর্যায়ক্রমে ২০২৮ সাল থেকে কার্যকর করা হবে।
শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলার প্রসারে সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলাকেও সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। বাজেটেও শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য হলো যারা খেলাধুলায় অংশ নিচ্ছে, তাদেরকে উপযুক্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করা, যাতে তারা দেশ গঠনে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারে।’
জাতীয় পর্যায়ের এ ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
উল্লেখ্য, সারাদেশের ৪টি অঞ্চল থেকে বাছাইকৃত মোট ৪০৪ জন শিক্ষার্থী এবারের জাতীয় প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্বে অংশ নিয়েছে। তারা সাঁতার, দাবা, কাবাডি ও হ্যান্ডবল—এই চার ডিসিপ্লিনে শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার