ক্রীড়া প্রতিবেদক
উগ্রবাদীদের হুমকির মুখে মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেয় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআই। এরপর নিরাপত্তা ইস্যুতে বিশ্বকাপই খেলছে না বাংলাদেশ। যাকে নিয়ে পুরো ক্রিকেট দুনিয়া তোলপাড়, সেই মোস্তাফিজকে অবশ্য নির্লিপ্তই দেখা গেছে। এ নিয়ে জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিনও প্রশ্ন করেছিলেন ফিজকে।
আগামীকাল পর্দা উঠছে বিসিবির অদম্য টি-টোয়েন্টি কাপ টুর্নামেন্টের। এর আগে বুধবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন ধূমকেতু একাদশের প্রধান কোচ সালাউদ্দিন।
সেখানে মোস্তাফিজ ইস্যুতে তিনি বলেন ‘প্রশ্নটা আমি নিজেই মোস্তাফিজকে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে, আসলে তুমি কী ফিল করছ। ও বলেছে, লেট ইট গো। যেটা চলে গেছে চলে গেছে।’
মোস্তাফিজের মতো এমন ধ্যানধারণা বা ব্যক্তিত্ব সবার হয় না বলে মনে করেন সালাউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘সবাই তো আর মোস্তাফিজের মতো হতে পারবে না। এটা হলেই ওই প্লেয়ারের জন্য ভালো। যে জিনিস কন্ট্রোল করতে পারব না, কন্ট্রোল করতে চাইবও না। আপনার চাকরির ক্ষেত্রেও দেখুন, প্রমোশন দিবে কি দিবে না, এটা মনে রাখলে হবে না।’
এসব বিষয়ে মোস্তাফিজের কাছ থেকে বাকিদের শেখার আছে উল্লেখ করে সালাউদ্দিন বলেন, ‘মোস্তাফিজের কাছ থেকে এটা শেখার ভালো একটা জিনিস। এতগুলো টাকা বলেন, ও তো হতাশায় পড়তে পারতো। সে জানে এটা নিয়ন্ত্রণের কিছু নেই, তার হাতে নেই। আমি মোস্তাফিজের কাছ থেকে এই জিনিসটা শিখেছি, অন্যরাও হয়তো শিখবে।’
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার