ডেস্ক নিউজ
ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপের (এপিজি) চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)।সোমবার এপিজির চেয়ারম্যান হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি ভুটানের স্পিকার টেম্পা দর্জির কাছ থেকে এ দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
আইপিইউর এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপে ৩৭টি দেশ সদস্য হিসেবে রয়েছে। স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের এই দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক সংসদীয় অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব আরও জোরালো হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এপিজির সদস্য দেশগুলো হলো—বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, জাপান, আফগানিস্তান, ভুটান, কানাডা, চীন, উত্তর কোরিয়া, ব্রুনাই, কম্বোডিয়া, ফিজি, লাওস, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, মাইক্রোনেশিয়া, মঙ্গোলিয়া, মিয়ানমার, নেপাল, নিউজিল্যান্ড, পাকিস্তান, পালাউ, পাপুয়া নিউগিনি, ফিলিপাইন, দক্ষিণ কোরিয়া, সামোয়া, সিঙ্গাপুর, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, তিমুর-লেস্তে, টোঙ্গা, টুভালু, ভানুয়াতু ও ভিয়েতনাম।
তাঞ্জানিয়ার আরুশায় অনুষ্ঠেয় ১৫৩তম আইপিইউ সম্মেলনে যোগ দিতে রোববার (৪ অক্টোবর) ঢাকা ছাড়েন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। ওইদিন দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাঞ্জানিয়ার উদ্দেশে রওনা হন তিনি।
স্পিকারের সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু, সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম, এ. ই. সুলতান মাহমুদ বাবু, মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, এস কে আজিজুল বারী, হুমাম কাদের চৌধুরী, মীর আহমাদ বিন কাসেম, সানসিলা জেবরিন ও রোকেয়া বেগম।
৫ থেকে ৯ অক্টোবর তাঞ্জানিয়ায় আইপিইউ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলন শেষে আগামী ১১ অক্টোবর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
কুমিল্লায় মার্কশিট-প্রশংসাপত্র দিতে ‘প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে’ ৫০০ টাকা নিচ্ছেন অফিস সহকারী
স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা:
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার কথা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র দিতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, এসএসির মূল মার্কশিট এবং প্রশংসাপত্র তুলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী প্রত্যেকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে দাবি করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “বোর্ড থেকে এগুলো ফ্রি দেওয়ার কথা। কিন্তু অফিসে গেলেই বলে ৫০০ টাকা লাগবে।”
অভিভাবকরা বলছেন, গরিব শিক্ষার্থীদের পক্ষে বারবার ৫০০ টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তারা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধনুয়াইশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিগন্ত চন্দ্র পাল (দিগন্ত পাল) বলেন, “সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিচ্ছে, আমরাও নিচ্ছি। আপনি কিছু করতে পারলে করেন।”
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ জালাল বলেন, “এ ধরনের অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।”
শিক্ষা বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ড থেকে আসা মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো ফি ছাড়াই বিতরণ করার কথা। এজন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি।
ই-পেপার